Auto Image Slider

ঈমান মজবুত করার উপায়

ঈমান মজবুত করার উপায়
আল্লাহ যে একজন আছেন, তিনি সর্বশক্তিমান, সর্বজ্ঞ। তিনি পরকালে হিসাব নিবেন। সে হিসাবের জন্য তিনি নিষ্পাপ রাসূলের কাছে নিভুল কুরআন এবং নিখুঁত আদর্শ (সুন্নত) পাঠাইয়াছেন। মানুষকে কাজ করার জন্য নির্ধারিত পরিমাণ শক্তি দিয়াছেন, কাহাকেও সীমাহীন ক্ষমতা প্রদান করেন নাই বা কাহাকেও একেবারে অক্ষমও করেন নাই। সব মানুষকে তিনি মৃত্যু দিবেন এবং মৃত্যুর পর আবার সকলকে পুনরায় জীবিত করিবেন।

যাহারা আল্লাহকে বিশ্বাস করিয়াছে, আল্লাহর মনোনীত নিয়ম অনুসারে জীবন ও চরিত্র গঠন করিয়াছে, পুনর্জীবিত করে আল্লাহ তাহাদিগকে চিরশান্তির জান্নাত দান করিবেন। আর যাহারা আল্লাহকে বিশ্বাস করে নাই, আল্লাহর মনোনীত নিয়মের বিরুদ্ধে জীবন যাপন করিয়াছে, তাহাদিগকে চিরকাল দুঃখ-দুর্দশায় জাহান্নামের ভীষণ যন্ত্রণায় শাস্তি প্রদান করিবেন। এই কয়টি কথা অন্তরে বিশ্বাস করার নামই হল ঈমান।

ইসতেঞ্জার আদব

অর্থাৎ পায়খানা-পেশাব করার সময়ে নিচের কাজগুলি করা নিষেধ।
(করিবে না)

১. কেবলামুখী বা কেবলা পেছন দিয়া বসা।
২. রাস্তার উপর কিংবা কিনারায় পেশাব-পায়খানা করা।
৩. কোন গর্তের ভিতর পেশাব করা বা চন্দ্র-সূর্য বরাবরে বসা।
৪. পায়খানায় বসিয়া কথাবার্তা বলা এবং উপরের দিকে দেখা লজ্জাস্থানের দিকে দেখিয়া থাাকা।
৫. হাড় বা কয়লা ঢিলা লওয়া।
৬. দাঁড়াইয়া বা হাঁটিয়া পেশাব করা।
৭. বিনা ওজরে পানিতে পেশাব করা।
৮. ফলদার বা ছায়াদার গাছের নিচে পায়খানা-পেশাব করা।
১. গোসলখানায় পাযখানা-পেশাব করা।
২. (পায়খানায় প্রবেশের পূর্বে দু’আ পাঠ করিয়া বাম পা দিয়া প্রবেশ করিবে এবং বাহির হইবার সময় ডান পা বাহিরে দিয়া দু’আ পাঠ করিয়া বাহির হইবে।)

Leave a Comment